Similar ebooks

কোনদিন ভাবিনি ছড়া লিখবো। ছড়া যে নিতান্তই ছেলেমানুষী ছন্দ মিলানো নয়, সে কথাটাও কখনো সিরিয়াসলি ভাবিনি। এই অজানা রাজ্যে অ্যাডভেঞ্চার শুরু করার মূলে রয়েছে একটি ছোট্ট মেয়ে বৃষ্টি রায়, যার আবদার মেটাতে গিয়ে অনভ্যস্ত হাতে ছড়া লিখতে শুরু করি। সে প্রায় দেড় বছর আগের কথা। প্রথম প্রথম ছন্দ মেলানোতেই বেশী নজর দিতাম, কিন্তু ক্রমশঃ ছড়ার অন্তর্নিহিত শক্তির আভাষ পেতে শুরু করি। একসময় বুঝতে পারলাম ছড়ার সহজ ছন্দের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে একটা প্রচণ্ড ক্ষমতা। কখনো তা তীক্ষ্ণ স্যাটায়ারের, কখনো তা চোখে আঙুল দিয়ে সত্যকে দেখানো প্রচারকের, কখনো বা বাচ্চাদের সরল প্রশ্নের আকারে আমাদের অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে ছুঁড়ে দেওয়া উদ্যত চ্যালেঞ্জের। এটা বোঝার পরই ছড়া লেখার মজাটা পেতে শুরু করি। বিগত দেড় বছর ধরে বিভিন্ন ধরণের ছড়া লিখে গেছি, যার অনেকগুলোই ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছে। সেই ছড়াগুলির সঙ্গে আরো কয়েকটি নিয়ে বন্ধুবর স্বনামধন্য প্লাস্টিক সার্জন ও ঔপন্যাসিক অনিরুদ্ধ বসুর আগ্রহে এবং স্মৃতি পাবলিশার্স-এর কর্ণধার শ্রীমতি স্মৃতি বসুর ঐকান্তিক সহায়তায় একশোটির বেশী ছড়ার একটি সংগ্রহ এই বইটির আকারে প্রকাশিত হতে চলেছে ।
 গোলমরিচের গুঁড়ো৷‌ এবারে সেটাই প্রদোষচন্দ্র মিত্রর হাতের অস্ত্র৷‌ আসলে ফেলুদার প্রথম উপন্যাস ‘বাদশাহী আংটি’ সত্যজিৎ রায় গোয়েন্দা ফেলুদার মগজাস্ত্রেই শান দিয়েছিলেন৷‌ নবাবি লক্ষ্নৌতে এক মোগলাই আংটি নিয়ে রহস্যের শুরু আর ছমছমে গাড়োয়ালের জঙ্গলে ক্লাইম্যাক্স৷‌ সেখানে আবার ভিলেন বনবিহারীবাবু, তার সাকরেদ গণেশ এবং র‍্যাটল স্নেক৷‌


তোপসে ও তোপসের বাবার সাথে ফেলুদা লখনউয়ের বড়া ইমামবাড়ার নিকট বসবাসরত তাদের অ্যাডভোকেট আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যায়। সেখানে তারা ডা. শ্রীবাস্তবের সাথে দেখা করেন, যার বাড়িতে সম্প্রতি ডাকাতির চেষ্টা করা হয়েছিল। তার বন্ধু পেয়ারেলাল কর্তৃক প্রদত্ত একটি অমূল্য আংটি চুরির উদ্দেশ্যেই চেষ্টাটি করা হয় বলে সকলে ধারণা করে। আংটিটি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের। আবারও ডাকাতির ভয়ে তিনি এটাকে তার বন্ধুর বাসাতে রেখে যান। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখানে থেকেও আংটিটি চুরি যায়। এরমধ্যেই ফেলুদা ডাক্তারের প্রতিবেশী বনবিহারীবাবুর সাথে দেখা করেন, যিনি নিজের বাড়িতে একটি ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানা নির্মাণ করে সেখানে কুমির, আফ্রিকান বাঘ, হায়েনা, র‍্যাটলস্নেক, কাঁকড়াবিছে ও ব্ল্যাক উইডো মাকড়সা পোষেন। ফেলুদা পেয়ারেলালের ছেলে মহাবীরের সাথেও দেখা করেন। মহাবীর একজন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অনেকে মনে করেন তার বাবার মৃত্যুর পিছনে তারও হাত থাকতে পারে...


...এরপর কী হলো ? ফেলুদা কী পারলো বাদশাহী আংটি উদ্ধার করতে ? তা জানতে হলে এক নিশ্বাসে পড়ে নিতে হবে 'বাদশাহী আংটি' ।


অর্ধশতাব্দী ব্যাপী বাংলা সাহিত্যের বিরামহীন পথিক যখন লেখেন, 'মনে মনে ভাবতাম, সারা জীবন শুধু কবিতাই লিখে যাব। কিন্তু কার্য-কারণবশত আমাকে গদ্যের রাজত্বেও ঢুকে পড়তে হয়। তারপর গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ-কিশোরসাহিত্য মিলিয়ে পৃষ্ঠা ভরিয়ে ফেলেছি কয়েক লক্ষ,' আমরা অভিভূত হয়ে যাই। তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ভাগ্যিস তিনি গদ্যের রাজত্বে ঢুকে পড়েছিলেন! আমরা সৌভাগ্যবান। তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। তার ছোট গল্পগুলি যেন এক আশ্চর্য বাগিচা। সেই বাগিচা আলোকিত করে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন অসংখ্য ফুল, যাদের রূপ ও সৌরভ বিমোহিত করে তাঁরই প্রিয় পাঠকদের। তাঁর কোনও গল্প উঠে এসেছে সমাজের দ্বিধাদ্বন্দ্ব থেকে, কোনও গল্প আবার উপজীব্য করেছে আশ্চর্য 'মিথ', ইতিহাস, কোনও-কোনও গল্পে ফুটে উঠেছে প্রান্তিক গ্রাম্যজীবনের আনন্দ-বেদনার আলোছায়া, কোনও গল্প ভ্রমণ কাহিনির আধারে সৃজিত, কোনও-কোনও গল্প হঠাৎ-হঠাৎ দেখা দিয়েছে লেখকের 'স্বপ্নে'। কোনও গল্পের উৎস এসেছে সংবাদের অলক্ষ থেকে। এই বৈচিত্র্য তুলনাহীন।
'সুনীলের সেরা ১০১' গ্রন্থটি তাঁর ৫০ বছরের অলোকসামান্য সাহিত্যজীবনের অপরূপ পথ-পরিক্রমা। এখানে তাঁর সদ্য-প্রকাশিত গল্প যেমন আছে, তেমনই রয়েছে দুষ্প্রাপ্য, অগ্রন্থিত অসংখ্য গল্প।

স্মরণীয় কথাশিল্পীর দুর্লভ সম্মানীয় বিশাল এই বই প্রকাশের সুযোগ পেয়ে পত্র ভারতী গৌরবান্বিত। আমরা প্রত্যয়ী, প্রিয় পাঠকদের প্রীতিধন্য হয়ে 'সুনীলের সেরা ১০১' বেঁচে থাকবে বহু-বহুকাল। হয়ে উঠবে কালজয়ী।
"বহুবছর ধরে ঠাকুরের কাজে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, উত্তরবঙ্গ বা কাছাড় ও ত্রিপুরার গাঁয়ে-গঞ্জে ঘুরে বেড়াচ্ছি। বাবু-ভ্রমণ নয়। ট্রেনে, বাসে, ভ্যানগাড়ি, নৌকো, লঞ্চ এবং অবশ্যই মাইলের-পর-মাইল পায়ে হেঁটেও। সাদা-সরল, অনতিশিক্ষিত এবং চাষীবাসী মানুষের সঙ্গেই থাকা।...সাহিত্য-টাহিত্য এঁদের বেশিরভাগই বোঝেন না। তাতে অবশ্য সমাদরের অভাব ঘটে না।'...
গাঁ গঞ্জের পাশাপাশি তাঁর যে চেনা হল মানবজমিনও। অন্তর্দর্শী সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সুষমামণ্ডিত কলমে যেভাবে বাংলার সাধারণ মানুষের কথা উঠে এসেছে, একালের আর কোনও লেখকের কলমে বোধহয় ততখানি আসতে পারেনি।
অনায়াসে সৃষ্টি হয়েছে অসামান্য গল্পের তরঙ্গমালা, যেগুলি পড়ে স্তব্ধ হয়ে পাঠক ভাববেন, এভাবে তো ভাবিনি। অসংখ্য চরিত্রের এই মিছিলের মূল সুর একটিই—ভালোবাসা।

চিরদিনের সেরা হয়ে ওঠার প্রত্যয় নিয়ে প্রকাশিত এই সংকলনে শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় নিজে সাজিয়ে দিয়েছেন ১০১টি গল্প। রয়েছে দুষ্প্রাপ্য থেকে এযাবৎ অগ্রন্থিত গল্পও। নিঃসঙ্কোচে বলা যায়, তাঁর লেখকজীবনের বিবর্তনের এক মূল্যবান দলিল বৃহৎ গ্রন্থখানি।" 

 সংক্ষেপে কয়েকটি কথা প্রয়োজনবোধে নিবেদন করিতেছি। 'গণদেবতা' বইখানি ভারতবর্ষে' ধারাবাহিকভাবে বাহির হইতেছে। এটি তাহার অংশ-বিশেষ – চণ্ডীমণ্ডপ নামাঙ্কিত অংশ। দ্বিতীয় অংশ 'পঞ্চগ্রাম' নামে বাহির হইতেছে। 'ভারতবর্ষে' যাহারা 'চণ্ডীমণ্ডপ' পড়িয়াছেন, তাঁহারা দেখিবেন – 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত 'চণ্ডীমণ্ডপ' ও বর্তমান বিখানি প্রায় সম্পূর্ণ পৃথক। গোড়ার আশি পৃষ্ঠা পুস্তকাকারে মুদ্রিত হইবার পর- একাশী পৃষ্ঠা হইতে অবশিষ্টাংশ সম্পূর্ণ নূতন। প্রয়োজন বোধে পরিবর্তন করিতে বসিয়া সমস্তই পাল্টাইয়া গেল। প্রায় প্রতিটি ছত্র নূতন বলিলে অত্যুক্তি হইবে না। ভাল-মন্দের বিচারক যাঁহারা, তাঁহারা ভাল-মন্দ বিচার করিবেন। বিচারপ্রার্থীর মত তাঁহাদের রায় আমি সসসম্মানে মাথা পাতিয়া লইব। ইতি- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
 পায়ের তলায় সর্ষে' নামটি একমাত্র তাঁর ক্ষেত্রেই সর্ব অর্থে মানায়। শুরু করেছিলেন সেই যৌবনবয়েসে। এখনও এই পঁচাত্তর পেরিয়েও কোথাও যেতে হলেই তিনি ব্যাগ গুছিয়ে রেডি। তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। একাধারে বরেণ্য কবি, বিশিষ্ট কথাশিল্পী, ঔপন্যাসিক, আবার ভ্রমণপিপাসু অদম্য পথিক। কিন্তু এ ভ্রমণ কি নিছকই শুধু নতুন দেশ নতুন নিসর্গ দেখার টান? ভুল হল। তার লেখাগুলি কখনও মানুষের মর্মস্পর্শী গল্প। কখনও কবিতার মতো ঝরনা, কখনও নিটোল উপন্যাসের মতো টানটান। সুনীলের নিজের কথায়, 'খুব ছোটবেলা থেকেই আমার ভ্রমণের নেশা। সবসময় মনে হতো, এই পৃথিবীতে জন্মেছি, যতটা পারি তা দেখে যাবো না?...একসময় জাহাজের নাবিক হবারও স্বপ্ন ছিল আমার। তা অবশ্য হতে পারিনি।...কখনো রাত কাটিয়েছি গাছতলায়, কখনো নদীর বুকে নৌকায়, কখনো পাঁচতারা হোটেলে।...সেইসব লেখা জমে-জমেও প্রায় পাহাড় হয়ে গেছে। প্রায় সব ভ্রমণ কাহিনি নিয়ে (কিছু হারিয়ে গেছে) পত্র ভারতীর ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় প্রকাশ করছেন ভ্রমণ সমগ্র। এই দু'খণ্ডের আয়তন দেখে আমি নিজেই বিস্মিত। সব লেখা যদি সংগ্রহ করা যেত, তা হলে আরও কত বড় হতো!...এর মধ্যে ঘুরে আসা অনেক দেশের কথা লেখাও হয়নি। তৃতীয় খণ্ড হবে? হতেও পারে।' মুগ্ধ বিস্ময়ে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা পড়তে-পড়তে মনে হয়, কবে আসছে তৃতীয় খণ্ড? পাঠককে অপেক্ষায় থাকতেই হচ্ছে।
 পায়ের তলায় সর্ষে' নামটি একমাত্র তাঁর ক্ষেত্রেই সর্ব অর্থে মানায়। শুরু করেছিলেন সেই যৌবনবয়েসে। এখনও এই পঁচাত্তর পেরিয়েও কোথাও যেতে হলেই তিনি ব্যাগ গুছিয়ে রেডি। তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। একাধারে বরেণ্য কবি, বিশিষ্ট কথাশিল্পী, ঔপন্যাসিক, আবার ভ্রমণপিপাসু অদম্য পথিক। কিন্তু এ ভ্রমণ কি নিছকই শুধু নতুন দেশ নতুন নিসর্গ দেখার টান? ভুল হল। তার লেখাগুলি কখনও মানুষের মর্মস্পর্শী গল্প। কখনও কবিতার মতো ঝরনা, কখনও নিটোল উপন্যাসের মতো টানটান। সুনীলের নিজের কথায়, 'খুব ছোটবেলা থেকেই আমার ভ্রমণের নেশা। সবসময় মনে হতো, এই পৃথিবীতে জন্মেছি, যতটা পারি তা দেখে যাবো না?...একসময় জাহাজের নাবিক হবারও স্বপ্ন ছিল আমার। তা অবশ্য হতে পারিনি।...কখনো রাত কাটিয়েছি গাছতলায়, কখনো নদীর বুকে নৌকায়, কখনো পাঁচতারা হোটেলে।...সেইসব লেখা জমে-জমেও প্রায় পাহাড় হয়ে গেছে। প্রায় সব ভ্রমণ কাহিনি নিয়ে (কিছু হারিয়ে গেছে) পত্র ভারতীর ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় প্রকাশ করছেন ভ্রমণ সমগ্র। এই দু'খণ্ডের আয়তন দেখে আমি নিজেই বিস্মিত। সব লেখা যদি সংগ্রহ করা যেত, তা হলে আরও কত বড় হতো!...এর মধ্যে ঘুরে আসা অনেক দেশের কথা লেখাও হয়নি। তৃতীয় খণ্ড হবে? হতেও পারে।' মুগ্ধ বিস্ময়ে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা পড়তে-পড়তে মনে হয়, কবে আসছে তৃতীয় খণ্ড? পাঠককে অপেক্ষায় থাকতেই হচ্ছে।
বুদ্ধদেব গুহ শিকারের গল্প লেখেন ৷ তাঁর লেখায় অরণ্যের অন্তরঙ্গ ছবি আঁকা হয়, অনুপম ভাষাশৈলীতে৷ বনের ছবি শুধু নয়, তার প্রাণ-প্রতিষ্ঠাও করেন তিনি৷ বনের গাছপালা, ভূপ্রকৃতি, মানুষজন এমনকী বন্যপ্রাণী সম্পর্কেও তাঁর গভীর দরদ ফুটে ওঠে রচনার ছত্রে ছত্রে৷ ঋজুদা হয়ে ওঠে বাঙালি কিশোর পাঠকদের প্রিয় চরিত্র ৷ ভটকাইকে চেনে না এমন গল্প-পড়ুয়া বাংলায় কমই আছে ৷ 
ঋজুদা দেশের বিভিন্ন অরণ্যের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন; শুধু দেশের কেন বিদেশেরও ৷
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির অনুরোধে ঋজুদা গিয়েছিল সেরেঙ্গেটির বন আর গোরোং গোরো আগ্নেয়গিরি অঞ্চলে চোরাশিকারিদের দৌরাত্মের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করার উদ্দেশ্যে৷ এক গভীর চক্রান্তে সেই দিগন্ত বিস্তারী ঘাসবনে তারা পথ হারাল ৷ তারা কি রক্ষা পেল, নাকি সেই চক্রান্তের শিকার হয়ে গেল?
ঋজুদার গল্প ছাড়াও আরও অনেক ধরনের অনেক গল্প গাঁথা রইল এই সংকলনের দু-মলাটের মধ্যে, যা পড়তে বসে কিশোর পাঠকেরা তাদের জরুরি কাজও ভুলবে ৷
বরেণ্য কথাশিল্পীর সাহিত্য অনুভব করতে হলে, যদি তাঁর সমগ্র সৃষ্টি পড়া সম্ভব না হয়, সহজতম উপায় হল, তাঁর নানাসময়ের, নানাস্বাদের, নানাবিষয়ক লেখার স্বাদ আস্বাদন করা। বলতে দ্বিধা নেই, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়কে সামগ্রিক উপলব্ধি করাতে এই বিশাল বিপুল গ্রন্থের আয়োজন। শীর্ষেন্দু। বিন্দু থেকে সিন্ধু শিরোনামের এই রাজসিক প্রকাশনায় সংগৃহীত হয়েছে তার প্রাচীন আমলে লেখা হৃদয়স্পর্শী ৬টি উপন্যাস-ফেরা, জীবনপাত্র, বাসস্টপে কেউ নেই, ভুল সত্য, একটি স্বপ্নের আড়ালে এবং কাচের মানুষ। ৮টি নানাস্বাদের ছোট উপন্যাসে আছে-রূপ, মারীচ, ধূসর সময়, বেশি দূরে নয়, সম্পত্তি, আলো-অন্ধকার, পিপুল এবং দগ্ধ দিনের গল্প। ২০টি গল্পের মধ্যেও বেছে নেওয়া হয়েছে নানাকালের অনবদ্য সৃষ্টি। রয়েছে ৪টি হৃদয়-ছোঁয়া আত্মকথা। মাতৃপূজা থেকে মোবাইল ছুঁয়ে ক্রিকেট পর্যন্ত ব্যাপ্ত তাঁর ১৭টি রম্যরচনার পরিধি। আছে তাঁর শ্রদ্ধার্ঘ্য কাছের ঠাকুর। শীর্ষেন্দুর বিন্দু থেকে সিন্ধু অনুভবের এ এক শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। 
রবীন্দ্রনাথ কবি | শুধু কবি নন, চিত্রশিল্পীও | অবনীন্দ্রনাথ শিল্পী | শুধু শিল্পী নন, কথাসাহিত্যিক | আর গগনেন্দ্রনাথ? আমরা জানতুম তাঁর খ্যাতি শুধু শিল্পী হিসাবেই | তিনি শুধু বুঝি ছবিই এঁকেছেন | সে-শিল্পেরও মূলনিদর্শন দেখবার সৌভাগ্য আমাদের অনেকেরই হয়নি | কিন্তু তিনিও যে রঙতুলি দিয়ে লেখা আলোছায়ার রহস্যময় স্বপ্নপুরী এঁকেই ক্ষান্ত হননি, কলমের লেখা রূপকথাও রচনা করেছিলেন, তার অপ্রত্যাশিত নিদর্শন এই ভোঁদড় বাহাদুর | জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে ছাড়া, কল্পনার এই সূক্ষ কারিগরি আর কোথাও সম্ভব হত না | রচনার পারিপাট্যে এমন একটি অবিমিশ্র উত্কর্ষের স্বাদ আছে-যা বড়-ছোট সব বয়েসী পাঠকেরই সমাদর পাবে |
"রবীন্দ্রনাথ তখন তেইশ, নতুন বউঠান কাদম্বরীদেবী মাত্র পঁচিশ। ১৮৮৪ সালের ১৯শে এপ্রিল আফিম খেলেন নতুন বউঠান, আত্মহত্যার চেষ্টায়। মারা গেলেন ঠিক দুদিন পরে।
কেন আত্মহত্যা করেছিলেন রবির প্রাণের সখী, প্রিয় বন্ধু কাদম্বরীদেবী? কেন প্রবলপ্রতাপ বাবামশাই দেবেন্দ্রনাথের আদেশে আত্মহত্যার সব প্রমাণ পুড়িয়ে ফেলা হল? ঘুষ দিয়ে বন্ধ করা হল সকলের মুখ? কাদম্বরীদেবী কি লেখেননি কোনও সুইসাইড নোট? নাকি লিখেছিলেন? যা পুড়িয়ে ফেলা হয়!...সেই সুইসাইড নোটে কি সত্যিই কিছু অস্বাভাবকিতা ছিল? লুকিয়ে ছিল গোপন গহন ব্যথা?
লেখক বলছেন, 'ঠিক সুইসাইড নোট নয়। এক সুদীর্ঘ চিঠি। চিঠির সর্বাঙ্গ ঝলসে গেছে আগুনে।...ঝলসানো চিঠিটাকে কে বাঁচিয়েছিলেন আগুন থেকে? রবীন্দ্রনাথ?...'
চলুন পাঠক, আমরা ফিরে যাই ১২৭ বছর পূর্বের সেই রহস্যাবৃত সময়ে।...চিঠি নয়, এ এক হতভাগ্য তরুণীর বেদনাবিধুর উপাখ্যান।"
Various
It is that magical time of the year again, when the air is heavy with joy and the breeze carries delight everywhere- Durga Pujo! Sharadiya Kishore Bharati 1426 is the penultimate flag bearer of the festive spirit. Golpo- Shirshendu Mukhopadhyay,Prafulla Roy,Samares Mazumdar, Anita Agnihotri,Binayak Bandopadhyay,Nirbed Roy, Debojyoti Bhattacharya,Sirsa Bandopadhyay,Swapan Bandopadhyay, Chumki Chatterjee,Tarun Bandopadhyay,Dipanwita Roy,Binod Ghoshal,Debotosh Das,Shubhomanas Ghosh,Sisir Biswas,Kumar Mitra,Trishna Basak,Sujan Dasgupta,Raja Bhattacharya,Avik Mukhopadhyay,Saswati Nandi,Mriganka Bhattacharya,Kaberi Roychoudhury,Sagarika Roy,Shantanu Basu,Dipankar Choudhury, Pinaki Mukhopadhyay,Shyamaprasad Bhattacharya,Debarati Mukhopadhyay,Pradip De Sarkar,Jayati Roy,Sushmita Nath and Partha De. Upanyas- Sanjib Chattopadhyay,Anish Deb,Tridib Kumar Chattopadhyay,Himadrikishore Dasgupta,Abhijnan Roychowdhury,Saikat Mukhopadhyay,Jayanta De and Joydeep Chakraborty.Jadu Kabita-Sankha Ghosh,Pabitra Sarkar,Subodh Sarkar and Srijato. Anya Jagater Taraka- Soumitra Chattopadhyay,Surajit Chatterjee, P.C.Sorkar Junior,Nachiketa,Kheyali Dastidara and Barun Chanda.Aprokashito Golpo-Dinesh Chandra Chattopadhyay. Dushprapyo Sakkhatkar- Satyajit Ray. Dushprapyo Golpo-Sunil Gangopadhyay and Adrish Bardhan. Exclusive Smritikatha- Tinu Anand. Boro Golpo- Imdadul Haq Milan,Binota Roychoudhury,Ananya Das, Avik Sarkar and Sayak Aman. Biswasahitya (Sir Arthur Conan Doyle)-Sisir Chakraborty. Bhraman- Bithi Chatterjee. Jana Theke Ajana- Apurba Chattopadhyay, Ratul Dutta, Samudra Basu and Basudeb Ghosh. Chora-Kobita- Deep Mukhopadhyay, Mandakranta Sen, Avik Basu, Sukhendu Majumdar,Pradip Acharya,Parthajit Gangopadhyay,Tanmay Chakraborty,Kaji Murshidul Arefin,Suniti Mukhopadhyay,Soumyendu Samanta,Sushmeli Dutta,Amitava Gangopadhyay, Rakhi Nath Karmakar, Dwaita Hazra Goswami, Sirajul Islam, Goutamendu Roy,Debasish Basu,Lutfor Rahman Ritton, Tapan Bain, Rehan Kaushik, Krishnendu Bandopadhyay, Md.Shahbuddin Firoz,Aranyak Basu,Kamalesh Kumar,Mrityunjoy Debnath, Sumi Chakraborty, Anshuman Chakraborty and Munmun Dasgupta. Rangeen Comics- Juran Nath, Pradipto Mukherjee, Dr.Sayan Pal,Sanjib Chattopadhyay-Nachiketa Mahato,Adrish Bardhan-Sumanta Guha-Prasenjit Bandopadhyay, Chandi Lahiri, Saptarshi Chatterjee-Pinakesh Das. Horekrokom-Koushik Shaw and Nachiketa Mahato.Amader Kotha-Tridib Kumar Chattopadhyay. Get your copy today and join in the revelry!
©2019 GoogleSite Terms of ServicePrivacyDevelopersArtistsAbout Google|Location: United StatesLanguage: English (United States)
By purchasing this item, you are transacting with Google Payments and agreeing to the Google Payments Terms of Service and Privacy Notice.