Swargarohoner Sandhane (Bengali)

Smriti Publishers
Free sample

আমার গোমুখ-তপোবন ট্রেকিং নিয়ে লেখা বই “তপোভূমি তপোবনে”-র অভাবনীয় সাফল্য দেখে দু’টি কথা দিনের আলোর মত স্পষ্ট লাগল – এক, ট্রেকিং নিয়ে লেখা বইও মানুষজন আগ্রহ নিয়ে পড়েন, এবং দুই, এ ধরণের লেখার একটি চাহিদা আছে অথচ আপাততঃ যোগানদারের ভীষণ অভাব। এই দুটি কারনে উৎসাহিত হয়ে হর-কি-দুন ও রুইনসারা তাল ট্রেকিং করে এসে সেটি নিয়ে একটি বই লিখে ফেললাম।

আমার আগের বইটি যে পাঠকদের অকুণ্ঠ সমাদর পেয়েছে, তার কারন সম্ভবতঃ দু’টি – এক, আজকাল বহু মানুষই হিমালয়ের নানা জায়গায় ট্রেকিংয়ে যাচ্ছেন বলে জনসাধারণের মনে ট্রেকিং নিয়ে একটি আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে এবং দুই, আমার বইটির প্রকৃতি ও মান, যা একজন পাঠকের ভাষায় “… ভ্রমণ, অ্যাডভেঞ্চার, ইতিহাস, ভুগোল ও দর্শনের অসাধারণ মেলবন্ধন”।

এই দুটি কারন ছাড়াও আমার নিজের মতে তৃতীয় একটি কারন আছে। বাংলা ভাষায় পর্বতারোহণ নিয়ে অনেক ভালো ভালো বই থাকলেও সাধারণ মানুষেরা পর্বতারোহণকে ঠিক কাছের জিনিষ মনে করেন না, অর্থাৎ পর্বতারোহীদের সাথে নিজেদের একাত্মবোধ বা আইডেন্টিফাই করতে পারেন না। কিন্তু ট্রেকিং ব্যাপারটা অপেক্ষাকৃত সহজসাধ্য বলে ট্রেকারদের সাথে নিজেদের একাত্মবোধটা সহজেই হয়ে যায়। অতীতে কয়েকটি ট্রেকিং (কেদার-বদ্রী, গোমুখ বা পঞ্চকেদার ইত্যাদি) নিয়ে লেখা বইয়ের সাফল্য ও জনপ্রিয়তার পিছনে এই কারনটাই প্রধান।

যাই হোক, হর-কি-দুন ট্রেকিংয়ে অ্যাডভেঞ্চার ছাড়াও আর একটি আকর্ষণ হল পাণ্ডবদের স্বর্গারোহণের কাহিনীর সঙ্গে এই পথের যোগ এবং দুর্যোধনের মন্দিরের উপস্থিতি, যা বর্তমান বইটিকে পাঠকদের কাছে আকর্ষণীয় হতে সাহায্য করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

প্রথম বইটির মত এই বইটিতেও ভ্রমণ, অ্যাডভেঞ্চার, ইতিহাস, ভুগোল, বিজ্ঞান ও দর্শনের মেলবন্ধনের চেষ্টা করেছি। এই কাজে কতটা সফল হয়েছি তার বিচার পাঠকরাই করবেন।

এই ট্রেকিংয়ে যাঁরা আমার সঙ্গে ছিলেন এবং যাঁরা পিছনে থেকে উৎসাহ দিয়েছেন, সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

দুর্গাপুর                                                                আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

আগস্ট ২০১৯

Read more
Collapse

About the author

আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায় পেশায় স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, আর নেশায় অনেক কিছুই। ফটো তুলিয়ে, লেখক, কবি, ছড়াকার, জনপ্রিয় ব্লগারএবং দেশবিদেশ ঘুরে বেড়ানো একজন পাক্কা ভবঘুরে। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার মেন হসপিটালে প্রায় ৩২ বছর অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করার ফাঁকেই সময় করে ক্যামেরা হাতে ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশের আনাচে কানাচে। তারই ফলশ্রুতি হিসেবে লিখে ফেলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মন্দিরের উপর একটি বিশাল ফটোগ্রাফিক বই “An Introduction to Bengal temples through the Lens”, যা ই-বুক হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্বল্পচেনা তীর্থস্থানের উপর লেখা শতাধিক সচিত্র ব্লগ ওঁকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি দিয়েছে। তথ্য-সমৃদ্ধ ব্লগগুলি এক লক্ষ বারেরও বেশীবার ভিউ হয়েছে। মনের খেয়ালে লেখা দুটি উপন্যাসের (চরৈবেতি ও অলীক) মধ্যে প্রথমটি দু-দুবার আনন্দবাজার পত্রিকার বেস্টসেলার লিস্টে স্থান পেয়েছে। এছাড়াও এই বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ব্যতিক্রমী চিকিৎসকের কলম থেকে প্রকাশিত হয়েছে যথাক্রমে একটি ছোটগল্পের সংগ্রহ (খোঁজ ও অন্যান্য গল্প), একটি কবিতার বই (একা কুয়াশায়)এবং একটি ছড়ার বই (একলা পাখি ও অন্যান্য ছড়া)।

লেখক চারটি কুম্ভে (হরিদ্বার 2010, প্রয়াগ 2013, নাসিক 2015 ও উজ্জ্বয়িনী 2016) গিয়ে এবং প্রতিটি কুম্ভেই মুখ্য শাহী স্নানের দিন কুম্ভস্নান করে যে অসাধারণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন, সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে "পূর্ণযাত্রা" নামে একটি বই লেখেন যে বইটিও পাঠকদের কাছে সদৃত হয়েছে।

লেখকের গোমুখ-তপোবন ট্রেকিং নিয়ে লেখা “তপোভূমি তপোবনে” বইটি ভ্রমণ, অ্যাডভেঞ্চার, ইতিহাস, ভুগোল, বিজ্ঞান ও দর্শনের অসাধারণ মেলবন্ধনের কারনে পাঠকদের অকুণ্ঠ প্রশংসা পেয়েছে। বলা যায় বাংলা ভাষায় হিমালয়ের ট্রেকিং নিয়ে লেখায় এক নতুন ধারার সূচনা করেছে বইটি। বর্তমান বইটি সেই ধারারই উত্তরসূরী।

Read more
Collapse
Loading...

Additional Information

Publisher
Smriti Publishers
Read more
Collapse
Published on
Aug 3, 2019
Read more
Collapse
Pages
235
Read more
Collapse
Read more
Collapse
Read more
Collapse
Language
Bangla
Read more
Collapse
Genres
Fiction / General
Read more
Collapse
Content Protection
This content is DRM protected.
Read more
Collapse
Read Aloud
Available on Android devices
Read more
Collapse

Reading information

Smartphones and Tablets

Install the Google Play Books app for Android and iPad/iPhone. It syncs automatically with your account and allows you to read online or offline wherever you are.

Laptops and Computers

You can read books purchased on Google Play using your computer's web browser.

eReaders and other devices

To read on e-ink devices like the Sony eReader or Barnes & Noble Nook, you'll need to download a file and transfer it to your device. Please follow the detailed Help center instructions to transfer the files to supported eReaders.
আজকাল বহু মানুষই ট্রেকিংয়ে যাচ্ছেন, তাই ট্রেকিং এমন কিছু অভিনব ব্যাপার নয়। অজস্র মানুষ গোমুখে গিয়ে ভাগীরথীর উৎস দেখে এসেছেন, তাই সেটাও বলার মতন ঘটনা কিছু নয়।  অনেকেই গোমুখ ছাড়িয়ে তপোবন গেছেন, সেটাও ফলাও করে লেখার মত কিছু নয় ।তাহলে কেউ প্রশ্ন করতেই পারেন, তপোবন ট্রেকিং নিয়ে একটা আস্তো বই লেখাটা কেন? উত্তরটা হল, কেন নয়?প্রথমতঃ, অনেকেরই সাধ আছে কিন্তু সাধ্য নেই। সেই ‘সাধ্যটা’ শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, পারিবারিক বা অন্য কিছু হতে পারে। তাঁদের জন্য একটি অথেনটিক এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে লেখা এই বইটি দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে পারে।দ্বিতীয়তঃ, যাঁরা অলরেডি ঘুরে এসেছেন, তাঁরা এই বইটি পড়ে মেমরি রিকল করে দৈনন্দিন জীবনের একঘেয়েমির হাত থেকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মুক্তির স্বাদ পেতে পারেন।তৃতীয়তঃ, যাঁরা যাবেন, তাঁরা কী দেখতে পাবেন, তার একটা আগাম আভাষ পেতে পারেন।এবং যাকে বলে ‘লাস্ট বাট নট দ্য লিস্ট’, এই বইটিতে এমন বহু অজানা বা স্বল্পজানা তথ্য দেওয়া আছে যেটা সাধারণ মানুষ, সে তাঁরা ট্রেকারই হোন বা নন-ট্রেকার, গোমুখ তপোবন দেখা হোক বা না দেখা, সবারই কাছে আকর্ষণীয় এবং চিন্তার খোরাক হতে বাধ্য।আমি আমার পার্সপেকটিভ দিয়ে দেখেছি। সেটা হয়ত সবার সঙ্গে মিলবে না। কিন্তু যেটা মিলবে সেটা হল অ্যাডভেঞ্চারের স্পিরিট আর খোলা মনে সবকিছুকে দেখে হিমালয় তথা প্রকৃতিকে ভালোবাসা।
 কুম্ভমেলা।        
কথাটার মধ্যেই এটা ভয়-মিশ্রিত কৌতুহল মিশে রয়েছে। বারো বছর অন্তর ভারতের চারটি জায়গায় অনুষ্ঠিত হওয়া কুম্ভমেলাকে শুধুমাত্র এটা ধর্মীয় মেলা ভাবলে ভুল হবে। কোটি কোটি ভারতবাসীকে একসাথে দেখতে হলে, ‘বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান’-কে চাক্ষুষ করতে হলে, ‘শাইনিং ইণ্ডিয়া’-র বাইরে যে একটা অন্তঃসলিলা ‘ভারতবর্ষ’ আপন মনে বয়ে চলেছে, সেই তপমগ্ন মহাতাপসের স্পর্শ পেতে গেলে, এবং সর্বোপরি অহংবোধের খোলস ছেড়ে নিজের ক্ষুদ্রত্ব অনুভব করতে গেলে আপনাকে অন্ততঃ একটিবার কুম্ভমেলায় আসতেই হবে।কুম্ভমেলাকে সাধারণ বাঙালি পাঠকের কাছে নিয়ে আসে কালকূটের অমর ভ্রমনোপন্যাস ‘অমৃতকুম্ভের সন্ধানে’। এক কথায় অনন্য এই সৃষ্টিটি কিন্তু প্রয়াগের একটিমাত্র পূর্ণকুম্ভকে নিয়ে লেখা। আমার কুম্ভ সম্বন্ধে আগ্রহ জন্মায় এই বইটি পড়ে, যে বইটি আমি কম করেও তিরিশবার পড়েছি। আর পড়ে একটা কথাই মাথায় আসতো, শুধু প্রয়াগ নয়, চার জায়গার কুম্ভই দেখতে হবে।
সেই ইচ্ছে অবশেষে পূর্ণতা পায় এবছর (২০১৬) উজ্জয়িনীর সিংহস্থ কুম্ভ ঘুরে। এর মধ্যে আমার হরিদ্বারে ২০১০ সালে পূর্ণকুম্ভ, প্রয়াগে ২০১৩ সালে মহাকুম্ভ এবং ২০১৫ সালে নাসিকে সিংহস্থ কুম্ভ দেখা হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ, আমার কুম্ভযাত্রা পূর্ণ হয়েছে এবছর।
এই ছ’বছরের লম্বা যাত্রাপথে কুড়িয়ে পাওয়া অভিজ্ঞতার মণি-মাণিক্যের সংগ্রহ থেকে বাছাই করে কিছুটা পরিবেশন করলাম এই বইটিতে। চেষ্টা করেছি যথাসাধ্য সঠিক তথ্য লিখতে প্রধানতঃ গুগল-এর সাহায্য নিয়ে, তবে কোন ভুল থাকলে তার দায়িত্ব আমার।
যাত্রাপথে অসংখ্য মানুষের সাহায্য ও সাহচর্য পেয়েছি। সবার উপর আমি কৃতজ্ঞ। সবাইকে আমার প্রণাম।
যদি একজন মানুষেরও ভালো লাগে, তবে বুঝবো যে আমার লেখা সার্থক। আর আমি তো আমার পুরষ্কার পেয়েই গেছি চারটি কুম্ভ, যার মধ্যে একটি সত্যিকারের মহাকুম্ভ, দর্শন করে। 

আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

 গোলমরিচের গুঁড়ো৷‌ এবারে সেটাই প্রদোষচন্দ্র মিত্রর হাতের অস্ত্র৷‌ আসলে ফেলুদার প্রথম উপন্যাস ‘বাদশাহী আংটি’ সত্যজিৎ রায় গোয়েন্দা ফেলুদার মগজাস্ত্রেই শান দিয়েছিলেন৷‌ নবাবি লক্ষ্নৌতে এক মোগলাই আংটি নিয়ে রহস্যের শুরু আর ছমছমে গাড়োয়ালের জঙ্গলে ক্লাইম্যাক্স৷‌ সেখানে আবার ভিলেন বনবিহারীবাবু, তার সাকরেদ গণেশ এবং র‍্যাটল স্নেক৷‌


তোপসে ও তোপসের বাবার সাথে ফেলুদা লখনউয়ের বড়া ইমামবাড়ার নিকট বসবাসরত তাদের অ্যাডভোকেট আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যায়। সেখানে তারা ডা. শ্রীবাস্তবের সাথে দেখা করেন, যার বাড়িতে সম্প্রতি ডাকাতির চেষ্টা করা হয়েছিল। তার বন্ধু পেয়ারেলাল কর্তৃক প্রদত্ত একটি অমূল্য আংটি চুরির উদ্দেশ্যেই চেষ্টাটি করা হয় বলে সকলে ধারণা করে। আংটিটি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের। আবারও ডাকাতির ভয়ে তিনি এটাকে তার বন্ধুর বাসাতে রেখে যান। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখানে থেকেও আংটিটি চুরি যায়। এরমধ্যেই ফেলুদা ডাক্তারের প্রতিবেশী বনবিহারীবাবুর সাথে দেখা করেন, যিনি নিজের বাড়িতে একটি ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানা নির্মাণ করে সেখানে কুমির, আফ্রিকান বাঘ, হায়েনা, র‍্যাটলস্নেক, কাঁকড়াবিছে ও ব্ল্যাক উইডো মাকড়সা পোষেন। ফেলুদা পেয়ারেলালের ছেলে মহাবীরের সাথেও দেখা করেন। মহাবীর একজন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অনেকে মনে করেন তার বাবার মৃত্যুর পিছনে তারও হাত থাকতে পারে...


...এরপর কী হলো ? ফেলুদা কী পারলো বাদশাহী আংটি উদ্ধার করতে ? তা জানতে হলে এক নিশ্বাসে পড়ে নিতে হবে 'বাদশাহী আংটি' ।


অর্ধশতাব্দী ব্যাপী বাংলা সাহিত্যের বিরামহীন পথিক যখন লেখেন, 'মনে মনে ভাবতাম, সারা জীবন শুধু কবিতাই লিখে যাব। কিন্তু কার্য-কারণবশত আমাকে গদ্যের রাজত্বেও ঢুকে পড়তে হয়। তারপর গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ-কিশোরসাহিত্য মিলিয়ে পৃষ্ঠা ভরিয়ে ফেলেছি কয়েক লক্ষ,' আমরা অভিভূত হয়ে যাই। তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ভাগ্যিস তিনি গদ্যের রাজত্বে ঢুকে পড়েছিলেন! আমরা সৌভাগ্যবান। তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। তার ছোট গল্পগুলি যেন এক আশ্চর্য বাগিচা। সেই বাগিচা আলোকিত করে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন অসংখ্য ফুল, যাদের রূপ ও সৌরভ বিমোহিত করে তাঁরই প্রিয় পাঠকদের। তাঁর কোনও গল্প উঠে এসেছে সমাজের দ্বিধাদ্বন্দ্ব থেকে, কোনও গল্প আবার উপজীব্য করেছে আশ্চর্য 'মিথ', ইতিহাস, কোনও-কোনও গল্পে ফুটে উঠেছে প্রান্তিক গ্রাম্যজীবনের আনন্দ-বেদনার আলোছায়া, কোনও গল্প ভ্রমণ কাহিনির আধারে সৃজিত, কোনও-কোনও গল্প হঠাৎ-হঠাৎ দেখা দিয়েছে লেখকের 'স্বপ্নে'। কোনও গল্পের উৎস এসেছে সংবাদের অলক্ষ থেকে। এই বৈচিত্র্য তুলনাহীন।
'সুনীলের সেরা ১০১' গ্রন্থটি তাঁর ৫০ বছরের অলোকসামান্য সাহিত্যজীবনের অপরূপ পথ-পরিক্রমা। এখানে তাঁর সদ্য-প্রকাশিত গল্প যেমন আছে, তেমনই রয়েছে দুষ্প্রাপ্য, অগ্রন্থিত অসংখ্য গল্প।

স্মরণীয় কথাশিল্পীর দুর্লভ সম্মানীয় বিশাল এই বই প্রকাশের সুযোগ পেয়ে পত্র ভারতী গৌরবান্বিত। আমরা প্রত্যয়ী, প্রিয় পাঠকদের প্রীতিধন্য হয়ে 'সুনীলের সেরা ১০১' বেঁচে থাকবে বহু-বহুকাল। হয়ে উঠবে কালজয়ী।
©2019 GoogleSite Terms of ServicePrivacyDevelopersArtistsAbout Google|Location: United StatesLanguage: English
By purchasing this item, you are transacting with Google Payments and agreeing to the Google Payments Terms of Service and Privacy Notice.