প্রফেসর দিবাকর সোমের ৬টি গল্পের পরম্পরা অন্তত এই সময়সারণীর বুকে অবগাহনটিকেই তাই আরেকবার ঝালিয়ে নিতে সুযোগ করে দেয়।
ইতিহাসপ্রেমী ও আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে থেকে অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ ভদ্রলোকটি ওঁর কর্মসূত্রে দেখা ইতিহাসকে অন্তরে অনুভব করতে গিয়ে বিভিন্ন পরিস্থিতির মুখে পড়েন ও একেকটি আশ্চর্যকর ও অনন্য অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন। আর থেকেই ভরিয়ে তোলেন অনাস্বাদিত কয়েকটি গল্পের ভান্ডার। সেগুলো পরিবেশিত হয়েছে সাপ্তাহিক আড্ডাচক্রে কয়েকটি মুগ্ধপ্রাণ তরুণদলের এক ঘরোয়া চেনা আসরে। সেখানে গল্প শোনার আনন্দ ক্রমে জমে উঠেছে ইতিহাসের অচেনা অজানা রং মেখে। আর অভিজ্ঞতাপ্রসূত হওয়ার জন্যেই শেষমেশ এই ঘটনাগুলি একধরণের অতিপ্রাকৃত আবহে পৌঁছেও কোথাও যেন ঠিক অমীমাংসিত থেকে যায়। অবশ্য শেষ হওয়ার পরেও এই গল্পগুলির অভ্যন্তরে ঘুমিয়ে থাকা পরাবাস্তবতাটি নিশ্চিন্তে থেকে যায় কালান্তরের যাদুময় মেহফিলে।
তবে এটা বলতেই হয় যে এদের কোনওটাই আসলে একপাক্ষিক ভৌতিক কর্মকান্ডের নিছক কয়েকটি আলেখ্য নয়, বরং এই গল্পগুলি ইতিহাসকেই পরিবেশন করতে চায় অনেক অচেনা ও অজানা আখরের যুগলবন্দিতে রঙীন হয়ে।