Botokeshotor Sobdobrahma (Bengali)

Smriti Publishers
Free sample

আমার এই গল্পটি হল রহস্য ও বিজ্ঞানের একটি অদ্ভুত হাঁসজারু । গোলাপডাঙা গ্রামের এক সময়ের ডাকসাইটে জমিদার পরিবারের বংশধর শ্রী বটকেষ্ট তালুকদার নিজের কনিষ্ঠ পুত্র বৈজ্ঞানিক শ্রীমান অনীকের ওপর যারপরনাই বিরক্ত। ছেলেটা সারাদিন কোনো কাজকর্ম না করে শুধুই নিজের এক্সপেরিমেন্ট নিয়ে মেতে থাকে। বিরক্ত বাড়ির পোষা বেড়াল শ্রীযুক্ত হুলোও। এদিকে পাশের বাড়ির মেয়ে মিলি অনীকের প্রেমে একেবারে হাবুডুবু। এমন সময়ে, একদিন প্রাতঃভ্রমণ সেরে ফেরার পথে বটকেষ্ট হঠাৎ উধাও হয়ে গেলেন। কোথায় গেলেন তিনি? কেনই বা গেলেন? তাঁকে আর পাওয়া গেল কি? অনীক কি সত্যিই তার বাবার অন্তর্ধান সম্বন্ধে কিছু জানে? এই সব নানা ধরনের প্রশ্নে গড়ে উঠেছে গল্পটির ঠাস বুনোন। আশা করি পাঠকের গল্পটি ভালো লাগবে। আর সেটাই হবে আমার পাথেয়।
Read more
Collapse

About the author

 Dr. Sayantan Gupta is a Consultant Gynaecologist by profession and also a laparoscopic surgeon , at present residing in and practising at Malda, West Bengal, India. Writing prose, poetry and drama being his passion, some of his plays have made successful stage productions. His poems have been published in different online magazines and anthologies. Short stories written by him have been well acclaimed by readers worldwide.

Read more
Collapse
Loading...

Additional Information

Publisher
Smriti Publishers
Read more
Collapse
Published on
Aug 31, 2016
Read more
Collapse
Pages
104
Read more
Collapse
Read more
Collapse
Read more
Collapse
Language
Bangla
Read more
Collapse
Genres
Fiction / General
Read more
Collapse
Content Protection
This content is DRM protected.
Read more
Collapse
Read Aloud
Available on Android devices
Read more
Collapse

Reading information

Smartphones and Tablets

Install the Google Play Books app for Android and iPad/iPhone. It syncs automatically with your account and allows you to read online or offline wherever you are.

Laptops and Computers

You can read books purchased on Google Play using your computer's web browser.

eReaders and other devices

To read on e-ink devices like the Sony eReader or Barnes & Noble Nook, you'll need to download a file and transfer it to your device. Please follow the detailed Help center instructions to transfer the files to supported eReaders.
এই কাব্যগ্রন্থটি চতুর্দশপদী,অমিত্রাক্ষর ছন্দে, মহাকাব্যিক আঙ্গিকে রচিত । নয়টি সর্গে বিস্তৃত এই কাব্যের মধ্যমনি হলেন মহাভারতের সবচেয়ে বর্ণময় প্রতিনায়ক, কর্ণ । এই কাব্যে কর্ণ নেহাতই এক রক্তমাংসের মানুষ। দোষেগুনে সম্পূর্ণ। তিনি মহান যোদ্ধা ,কিন্তু অতিমানব নন। কর্ণের মতো বর্ণাঢ্য চরিত্র সারা মহাভারত খুঁজলেও পাওয়া দুষ্কর। কাব্যে বিভিন্ন চরিত্রের দেবত্ব বা অসুরত্ব খুঁজে পাওয়া অনেক বেশি সহজ। কিন্তু কর্ণ যেন সবকিছু থেকেই আলাদা। কথায় আছে যে দোষে গুণে মিলিয়ে মানুষ। এই কর্ণের চরিত্রে আমরা সবকিছুই খুঁজে পাই। দোষ পাই প্রচুর। আর গুণ? সে তো গুনে শেষ করাই দায়। কাজেই এ কথা নির্দ্বিধায় হয়তো বলা যেতে পারে যে, মহাভারতের সব চরিত্রের মধ্যে কর্ণ চরিত্রটিই সবচেয়ে মানুষের মতো, বা বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়। মহাভারতের সবচেয়ে ভাগ্যবিড়ম্বিত চরিত্র কর্ণ। জন্মের ইতিহাস তাঁর কুহেলিকায় আচ্ছন্ন, যেমন তাঁর শৈশব বা বাল্যকাল।

যৌবন তাঁর পরস্পরবিরোধিতায় জর্জরিত। আর মৃত্যু? সে তো তাঁর ভাগ্যবিড়ম্বনার শেষ কথা। পাণ্ডবমাতা কুন্তীর প্রথম পুত্র কর্ণ। মাতার বিবাহের পূর্বেই জন্ম তাঁর। জন্ম তাঁর লালসা ও ধর্ষণের মধ্যে দিয়ে। ধর্ষিতা অনূঢ়া কিশোরীর প্রথম সন্তান কর্ণ। সমাজের রক্তচক্ষু ও লোকলজ্জার ভয়ে জন্মের পরেই তাঁকে ত্যাগ করলেন তাঁর জন্মদাত্রী। তারপর ভাগ্যের স্রোতে ভাসতে ভাসতে কর্ণ পৌঁছলেন তাঁর মাতা রাধার কোলে। ভাগ্যের কী নিষ্ঠুর পরিহাস। যে বীর সূর্যের অংশে জন্মগ্রহণ করলেন, সেই ক্ষত্রিয়সন্তান বেড়ে উঠলেন সূতপুত্রের পরিচয় নিয়ে। কিন্তু তার কি কোনও প্রয়োজন ছিল? সেদিনের সমাজ তো আজকের মতো ছিল না। কুন্তীর স্বামী, হস্তিনাপুর নরপতি প্রবল প্রতাপান্বিত পাণ্ডু ছিলেন সন্তান উৎপাদনে অক্ষম, তা যে কারণেই হোক না কেন।


এই পরিপ্রেক্ষিতে, স্বেচ্ছায় বনবাসের সময়ে পাণ্ডু কুন্তীকে বলেছিলেন যে, বিবাহের পূর্বে যদি তাঁর কোনও সন্তান থেকে থাকে তা তিনি পাণ্ডুকে বলতে পারেন। কারণ, আইন অনুসারে, তখনকার সমাজ ব্যবস্থায় সেই সন্তানের পিতা হওয়ার কথা ছিল পাণ্ডুর। কিন্তু লজ্জায় কুন্তী মুখ ফুটে সে কথা তাঁর স্বামীকে বলতে পারেননি। বলতে পারলে অন্য কলম দিয়ে লেখা হত কর্ণের জীবন কাহিনি। কারণ প্রথম পার্থ হিসেবে তিনিই হতেন প্রথম পাণ্ডব – হস্তিনাপুর সিংহাসনের একমাত্র হকদার। অর্থহীন হয়ে যেত মহাভারতের ভারতকথা। 

 গোলমরিচের গুঁড়ো৷‌ এবারে সেটাই প্রদোষচন্দ্র মিত্রর হাতের অস্ত্র৷‌ আসলে ফেলুদার প্রথম উপন্যাস ‘বাদশাহী আংটি’ সত্যজিৎ রায় গোয়েন্দা ফেলুদার মগজাস্ত্রেই শান দিয়েছিলেন৷‌ নবাবি লক্ষ্নৌতে এক মোগলাই আংটি নিয়ে রহস্যের শুরু আর ছমছমে গাড়োয়ালের জঙ্গলে ক্লাইম্যাক্স৷‌ সেখানে আবার ভিলেন বনবিহারীবাবু, তার সাকরেদ গণেশ এবং র‍্যাটল স্নেক৷‌


তোপসে ও তোপসের বাবার সাথে ফেলুদা লখনউয়ের বড়া ইমামবাড়ার নিকট বসবাসরত তাদের অ্যাডভোকেট আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যায়। সেখানে তারা ডা. শ্রীবাস্তবের সাথে দেখা করেন, যার বাড়িতে সম্প্রতি ডাকাতির চেষ্টা করা হয়েছিল। তার বন্ধু পেয়ারেলাল কর্তৃক প্রদত্ত একটি অমূল্য আংটি চুরির উদ্দেশ্যেই চেষ্টাটি করা হয় বলে সকলে ধারণা করে। আংটিটি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের। আবারও ডাকাতির ভয়ে তিনি এটাকে তার বন্ধুর বাসাতে রেখে যান। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখানে থেকেও আংটিটি চুরি যায়। এরমধ্যেই ফেলুদা ডাক্তারের প্রতিবেশী বনবিহারীবাবুর সাথে দেখা করেন, যিনি নিজের বাড়িতে একটি ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানা নির্মাণ করে সেখানে কুমির, আফ্রিকান বাঘ, হায়েনা, র‍্যাটলস্নেক, কাঁকড়াবিছে ও ব্ল্যাক উইডো মাকড়সা পোষেন। ফেলুদা পেয়ারেলালের ছেলে মহাবীরের সাথেও দেখা করেন। মহাবীর একজন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অনেকে মনে করেন তার বাবার মৃত্যুর পিছনে তারও হাত থাকতে পারে...


...এরপর কী হলো ? ফেলুদা কী পারলো বাদশাহী আংটি উদ্ধার করতে ? তা জানতে হলে এক নিশ্বাসে পড়ে নিতে হবে 'বাদশাহী আংটি' ।


অর্ধশতাব্দী ব্যাপী বাংলা সাহিত্যের বিরামহীন পথিক যখন লেখেন, 'মনে মনে ভাবতাম, সারা জীবন শুধু কবিতাই লিখে যাব। কিন্তু কার্য-কারণবশত আমাকে গদ্যের রাজত্বেও ঢুকে পড়তে হয়। তারপর গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ-কিশোরসাহিত্য মিলিয়ে পৃষ্ঠা ভরিয়ে ফেলেছি কয়েক লক্ষ,' আমরা অভিভূত হয়ে যাই। তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। ভাগ্যিস তিনি গদ্যের রাজত্বে ঢুকে পড়েছিলেন! আমরা সৌভাগ্যবান। তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। তার ছোট গল্পগুলি যেন এক আশ্চর্য বাগিচা। সেই বাগিচা আলোকিত করে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন অসংখ্য ফুল, যাদের রূপ ও সৌরভ বিমোহিত করে তাঁরই প্রিয় পাঠকদের। তাঁর কোনও গল্প উঠে এসেছে সমাজের দ্বিধাদ্বন্দ্ব থেকে, কোনও গল্প আবার উপজীব্য করেছে আশ্চর্য 'মিথ', ইতিহাস, কোনও-কোনও গল্পে ফুটে উঠেছে প্রান্তিক গ্রাম্যজীবনের আনন্দ-বেদনার আলোছায়া, কোনও গল্প ভ্রমণ কাহিনির আধারে সৃজিত, কোনও-কোনও গল্প হঠাৎ-হঠাৎ দেখা দিয়েছে লেখকের 'স্বপ্নে'। কোনও গল্পের উৎস এসেছে সংবাদের অলক্ষ থেকে। এই বৈচিত্র্য তুলনাহীন।
'সুনীলের সেরা ১০১' গ্রন্থটি তাঁর ৫০ বছরের অলোকসামান্য সাহিত্যজীবনের অপরূপ পথ-পরিক্রমা। এখানে তাঁর সদ্য-প্রকাশিত গল্প যেমন আছে, তেমনই রয়েছে দুষ্প্রাপ্য, অগ্রন্থিত অসংখ্য গল্প।

স্মরণীয় কথাশিল্পীর দুর্লভ সম্মানীয় বিশাল এই বই প্রকাশের সুযোগ পেয়ে পত্র ভারতী গৌরবান্বিত। আমরা প্রত্যয়ী, প্রিয় পাঠকদের প্রীতিধন্য হয়ে 'সুনীলের সেরা ১০১' বেঁচে থাকবে বহু-বহুকাল। হয়ে উঠবে কালজয়ী।
©2019 GoogleSite Terms of ServicePrivacyDevelopersArtistsAbout Google|Location: United StatesLanguage: English (United States)
By purchasing this item, you are transacting with Google Payments and agreeing to the Google Payments Terms of Service and Privacy Notice.