Tapobhumi Tapoboney(Bengali)

Smriti Publishers
Free sample

আজকাল বহু মানুষই ট্রেকিংয়ে যাচ্ছেন, তাই ট্রেকিং এমন কিছু অভিনব ব্যাপার নয়। অজস্র মানুষ গোমুখে গিয়ে ভাগীরথীর উৎস দেখে এসেছেন, তাই সেটাও বলার মতন ঘটনা কিছু নয়।  অনেকেই গোমুখ ছাড়িয়ে তপোবন গেছেন, সেটাও ফলাও করে লেখার মত কিছু নয় ।তাহলে কেউ প্রশ্ন করতেই পারেন, তপোবন ট্রেকিং নিয়ে একটা আস্তো বই লেখাটা কেন? উত্তরটা হল, কেন নয়?প্রথমতঃ, অনেকেরই সাধ আছে কিন্তু সাধ্য নেই। সেই ‘সাধ্যটা’ শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, পারিবারিক বা অন্য কিছু হতে পারে। তাঁদের জন্য একটি অথেনটিক এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে লেখা এই বইটি দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে পারে।দ্বিতীয়তঃ, যাঁরা অলরেডি ঘুরে এসেছেন, তাঁরা এই বইটি পড়ে মেমরি রিকল করে দৈনন্দিন জীবনের একঘেয়েমির হাত থেকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও মুক্তির স্বাদ পেতে পারেন।তৃতীয়তঃ, যাঁরা যাবেন, তাঁরা কী দেখতে পাবেন, তার একটা আগাম আভাষ পেতে পারেন।এবং যাকে বলে ‘লাস্ট বাট নট দ্য লিস্ট’, এই বইটিতে এমন বহু অজানা বা স্বল্পজানা তথ্য দেওয়া আছে যেটা সাধারণ মানুষ, সে তাঁরা ট্রেকারই হোন বা নন-ট্রেকার, গোমুখ তপোবন দেখা হোক বা না দেখা, সবারই কাছে আকর্ষণীয় এবং চিন্তার খোরাক হতে বাধ্য।আমি আমার পার্সপেকটিভ দিয়ে দেখেছি। সেটা হয়ত সবার সঙ্গে মিলবে না। কিন্তু যেটা মিলবে সেটা হল অ্যাডভেঞ্চারের স্পিরিট আর খোলা মনে সবকিছুকে দেখে হিমালয় তথা প্রকৃতিকে ভালোবাসা।
Read more
Collapse

About the author

 Dr Asis Chatterjee is a multi-faceted personality. Apart from being a successful Gynaecologist by profession, he is gifted with diverse talents.

Brought up in the industrial city of Durgapur, West Bengal, he studied Medicine at Calcutta Medical College. After completion of his studies he returned to his roots in Durgapur and spent his professional tenure as a Gynaecologist in Durgapur Steel Plant Hospital.

Apart from being a very popular and highly successful Gynaecologist, he is a well-known photographer, blogger, novelist, poet, and short story writer. But his most significant attribute is his thirst for knowledge of his own country, culture and people. This thirst has coxswained him to travel extensively both within and outside his state and country. He is considered an expert on Bengal temples due to his widespread knowledge on this subject, which he acquired mostly by visiting and photographing the temples in almost every nook and corner of West Bengal.

An ardent lover of the Himalayas, he likes to travel to the Himalayas whenever he can manage a little time in his busy schedule. He is also a serious student of Indian scriptures like Upanishads. Many of his writings bear the evidence of his deep love and respect for the Himalayas and the scriptures.

Read more
Collapse
Loading...

Additional Information

Publisher
Smriti Publishers
Read more
Collapse
Published on
Apr 13, 2018
Read more
Collapse
Pages
269
Read more
Collapse
Read more
Collapse
Read more
Collapse
Language
Bangla
Read more
Collapse
Genres
Fiction / General
Read more
Collapse
Content Protection
This content is DRM protected.
Read more
Collapse
Read Aloud
Available on Android devices
Read more
Collapse

Reading information

Smartphones and Tablets

Install the Google Play Books app for Android and iPad/iPhone. It syncs automatically with your account and allows you to read online or offline wherever you are.

Laptops and Computers

You can read books purchased on Google Play using your computer's web browser.

eReaders and other devices

To read on e-ink devices like the Sony eReader or Barnes & Noble Nook, you'll need to download a file and transfer it to your device. Please follow the detailed Help center instructions to transfer the files to supported eReaders.
 কুম্ভমেলা।        
কথাটার মধ্যেই এটা ভয়-মিশ্রিত কৌতুহল মিশে রয়েছে। বারো বছর অন্তর ভারতের চারটি জায়গায় অনুষ্ঠিত হওয়া কুম্ভমেলাকে শুধুমাত্র এটা ধর্মীয় মেলা ভাবলে ভুল হবে। কোটি কোটি ভারতবাসীকে একসাথে দেখতে হলে, ‘বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান’-কে চাক্ষুষ করতে হলে, ‘শাইনিং ইণ্ডিয়া’-র বাইরে যে একটা অন্তঃসলিলা ‘ভারতবর্ষ’ আপন মনে বয়ে চলেছে, সেই তপমগ্ন মহাতাপসের স্পর্শ পেতে গেলে, এবং সর্বোপরি অহংবোধের খোলস ছেড়ে নিজের ক্ষুদ্রত্ব অনুভব করতে গেলে আপনাকে অন্ততঃ একটিবার কুম্ভমেলায় আসতেই হবে।কুম্ভমেলাকে সাধারণ বাঙালি পাঠকের কাছে নিয়ে আসে কালকূটের অমর ভ্রমনোপন্যাস ‘অমৃতকুম্ভের সন্ধানে’। এক কথায় অনন্য এই সৃষ্টিটি কিন্তু প্রয়াগের একটিমাত্র পূর্ণকুম্ভকে নিয়ে লেখা। আমার কুম্ভ সম্বন্ধে আগ্রহ জন্মায় এই বইটি পড়ে, যে বইটি আমি কম করেও তিরিশবার পড়েছি। আর পড়ে একটা কথাই মাথায় আসতো, শুধু প্রয়াগ নয়, চার জায়গার কুম্ভই দেখতে হবে।
সেই ইচ্ছে অবশেষে পূর্ণতা পায় এবছর (২০১৬) উজ্জয়িনীর সিংহস্থ কুম্ভ ঘুরে। এর মধ্যে আমার হরিদ্বারে ২০১০ সালে পূর্ণকুম্ভ, প্রয়াগে ২০১৩ সালে মহাকুম্ভ এবং ২০১৫ সালে নাসিকে সিংহস্থ কুম্ভ দেখা হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ, আমার কুম্ভযাত্রা পূর্ণ হয়েছে এবছর।
এই ছ’বছরের লম্বা যাত্রাপথে কুড়িয়ে পাওয়া অভিজ্ঞতার মণি-মাণিক্যের সংগ্রহ থেকে বাছাই করে কিছুটা পরিবেশন করলাম এই বইটিতে। চেষ্টা করেছি যথাসাধ্য সঠিক তথ্য লিখতে প্রধানতঃ গুগল-এর সাহায্য নিয়ে, তবে কোন ভুল থাকলে তার দায়িত্ব আমার।
যাত্রাপথে অসংখ্য মানুষের সাহায্য ও সাহচর্য পেয়েছি। সবার উপর আমি কৃতজ্ঞ। সবাইকে আমার প্রণাম।
যদি একজন মানুষেরও ভালো লাগে, তবে বুঝবো যে আমার লেখা সার্থক। আর আমি তো আমার পুরষ্কার পেয়েই গেছি চারটি কুম্ভ, যার মধ্যে একটি সত্যিকারের মহাকুম্ভ, দর্শন করে। 

আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়

 গোলমরিচের গুঁড়ো৷‌ এবারে সেটাই প্রদোষচন্দ্র মিত্রর হাতের অস্ত্র৷‌ আসলে ফেলুদার প্রথম উপন্যাস ‘বাদশাহী আংটি’ সত্যজিৎ রায় গোয়েন্দা ফেলুদার মগজাস্ত্রেই শান দিয়েছিলেন৷‌ নবাবি লক্ষ্নৌতে এক মোগলাই আংটি নিয়ে রহস্যের শুরু আর ছমছমে গাড়োয়ালের জঙ্গলে ক্লাইম্যাক্স৷‌ সেখানে আবার ভিলেন বনবিহারীবাবু, তার সাকরেদ গণেশ এবং র‍্যাটল স্নেক৷‌


তোপসে ও তোপসের বাবার সাথে ফেলুদা লখনউয়ের বড়া ইমামবাড়ার নিকট বসবাসরত তাদের অ্যাডভোকেট আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যায়। সেখানে তারা ডা. শ্রীবাস্তবের সাথে দেখা করেন, যার বাড়িতে সম্প্রতি ডাকাতির চেষ্টা করা হয়েছিল। তার বন্ধু পেয়ারেলাল কর্তৃক প্রদত্ত একটি অমূল্য আংটি চুরির উদ্দেশ্যেই চেষ্টাটি করা হয় বলে সকলে ধারণা করে। আংটিটি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের। আবারও ডাকাতির ভয়ে তিনি এটাকে তার বন্ধুর বাসাতে রেখে যান। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখানে থেকেও আংটিটি চুরি যায়। এরমধ্যেই ফেলুদা ডাক্তারের প্রতিবেশী বনবিহারীবাবুর সাথে দেখা করেন, যিনি নিজের বাড়িতে একটি ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানা নির্মাণ করে সেখানে কুমির, আফ্রিকান বাঘ, হায়েনা, র‍্যাটলস্নেক, কাঁকড়াবিছে ও ব্ল্যাক উইডো মাকড়সা পোষেন। ফেলুদা পেয়ারেলালের ছেলে মহাবীরের সাথেও দেখা করেন। মহাবীর একজন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অনেকে মনে করেন তার বাবার মৃত্যুর পিছনে তারও হাত থাকতে পারে...


...এরপর কী হলো ? ফেলুদা কী পারলো বাদশাহী আংটি উদ্ধার করতে ? তা জানতে হলে এক নিশ্বাসে পড়ে নিতে হবে 'বাদশাহী আংটি' ।


©2019 GoogleSite Terms of ServicePrivacyDevelopersArtistsAbout Google|Location: United StatesLanguage: English (United States)
By purchasing this item, you are transacting with Google Payments and agreeing to the Google Payments Terms of Service and Privacy Notice.